বাবা ও কাজের বুয়া – প্রথম পর্ব

আমি রুবেল।সদ্য MBA পাশ করে বের হলাম।আমার বাবা দেবাশিষ একটি কোম্পানির জি এম হিসেবে আছে।ও মা শিখা টিচার হিসেবে আছেন।আজ যে গল্পটি বলবো সেইটা আমার বাবা ও কাজের বোয়া রুপা আপুকে নিয়ে। রুপা আপু মুসলিম হলেও আমাদের হিন্দু পরিবারের সব কাজ করে রান্না বান্না সহ।
তাহলে গল্পে আসি। হঠাৎ করে আমার মা এ স্কুলের ট্রেনিং পড়েছে। তাই মা কে ঢাকায় ১ মাস থাকতে হবে। মা চলে যাওয়ার আগে রুপা আন্টিকে সব কিছু বুঝিয়ে দিয়ে গেলেন।রুপা আন্টি সব বুঝে নিলেন।মা চলের যাওয়ার ১ম সাপ্তাহ খুব ভালো ভাবে চললো। রুপা আন্টি সকালে আসতো ও রাতে ৯ টায় দিকে চলে যেত।আবার মাঝে মাঝে থেকেও যেত।কারন রুপা আপুর জামায় ড্রাইভার। অনেক সময় দূরে কোথাও গেলে ভাড়া নিয়ে তখন আন্টি বাসায় থেকে যেত।
একদিন রাতে খাওয়ার সময় খেয়াল করলাম বাবা আপু দিকে কেমন জানি করে তাকাচ্ছে।আর তাকানোর ই কথা। রুপা আপু যে মাল,৩৬ সাইজ এর দুধ,স্লিম ফিগার বডি,১ বাচ্চার মা,৩০ বছরের রসে ভড়া একটি জিনিস।যেইটাকে এককথায় বলে সেক্সোয়াল এট্রাকশন। ভাবলাম মা অনেকদিন নাই তাই সেক্স ওঠে গেছে।খাওয়ার পর আমি আমার রুমে চলে গেলাম।
একটু পর শুনলাম বাবা রুপা আন্টিকে ডাকতেছে।আমার কেমন জানি লাগলো।বাবা আপুকে ডাকার পর বলতেছে বাবার পা টাতে একটু তেল মালিশ করে দিতে।রুপা আপু তেল নিয়ে বাবার রুমে গেল,ও বাবার লুঙ্গিটা হাটু পর্যন্ত তোলে পায়ে তেল মালিশ করতেছিল।বাবা রুপার সাথে বিভিন্ন কথা বলতেছে।জমায় আসে কখন, ওর ভালো করে কেয়ার নে নাকি এসব।
রুপা বললো ওর জামায় ইদানিং মদ খেয়ে বাসায় আসে ভালো করে ওর খোজ নে না,টাকা পয়সা ও কম দে এসব।বাবা দেখছি ওকে সান্তনা দিচ্ছিলো।বাবা বললো তোকে জামা কিনে দে না তোর জামায়?রুপা আপু বললো জামা তে দূররে কথা ঠিক মত এখন টাকা ও দে না্।রুপা আপু ঐ দিন যে জামাটা পরেছে সেইটা হাতে ও নিচে ছিড়া ছিল।বাবা বললো আচ্ছা কষ্ট নিস না আমি তোর জন্য জামা আনবো।এর পর দেখলাম মালিশ শেষ হওয়ার পর রুপা আমাদের ডাইনিং রোমে ঘুমানের জন্য চলে গেল।
আমি অবাগ হলাম বাবা কিছুতো করলো না।তাহলে কি বাবা অন্য কোন ফন্দি বের করলো নাকি।তারপর দেখলাম বাবা নারিকেল তেলের বোতলটা নিয়ে ওনার বড়াতে মালিশ করতে থাকলেন।আমি প্রথম বাবার বড়া দেখলাম। ৬৪ বছরের একজন মানুষ এর বড়া এত বড় কেমনে হয়।আমার বড়ার দেড়গুন প্রায়।লম্বায় ১০ ইঞ্চি ও মোটায় প্রায় ৪ ইঞ্চি।অবশ্যয় হওয়ার ই কথা বাড়া দেখতে শুনতে বেশ বড় শরিল এ।বাবা দেখলাম অনেকক্ষণ মালিশ করার পর মাল বের করে ঘুমিয়ে গেল।
আমিও আমার রুমে গিয়ে কয়েকটা এক্স ভিডিও দেখে মাল ফেলে ঘুমিয়ে গেলাম।
সকালে রুপা আপুর ছেলের কান্নায় ঘুম ভাংলো।তখন প্রায় ৯ টা। আপুকে বললাম আজও আমাদের বাসায় থাকবে নাকি।আপু বললো তোর দুলাভাই আসতে প্রায় ৭ দিন লাগবে।ততদিন রুপা আপু আমাদের বাসায় থাকবে।বাবার রুমে গিয়ে দেখালাম বাবা নাই।আপুকে জিঙ্গেস করলাম বাবা কোথায়।আপু বললো বের হয়েছে একটু আগে।কিছুক্ষণ পর দেখলাম বাবা এসেছে।বাবার হাতে একটি বড় শপিংবেগ। বাবা এসে ওয়াসরুমে ডুকলো গোসল করার জন্য।আমি বাবার রুমে গিয়ে শপিংব্যাগটা দেখালাম।
দেখি ২ টা শাড়ি,২ টা থ্রী পিচ,২ টা পেটিকোট,২ টা ব্রা,২ পেন্টি,এবং একটি ভিট(যেইটা দিয়ে মেয়েরা বাল পরিষ্কার করে)।আমি চিন্তায় পরে গেলাম,মা ও নাই বাবা এগুলো কার জন্য আনলো।পরে মাথায় আসলো বাবা তো রুপা আপুকে শপিং করে দিবে বলেছে।তাই বলে ব্রা পেন্টি সহ।আমার কেমন জানি সুবিধার মনে হলে না।
একটু পর আমি বাসা থেকে বের হলম।বের হওয়ার একটু পর দেখালাম মানি বেগ বাসায় ফেলে এসেছি।আবার বাসায় রওনা দিলাম।বাসায় গিয়ে মানিব্যাগটা নিলাম।আমি বাসায় ঢুকার সময় কেউ দেখলো না,কারন আমাদের বাসার দরজা প্রায় সময় খোাল থাকে।আমাদের এলাকায় চোরের ভয় কম। রুমে ঢুকার পর মানি ব্যাগ নিয়ে বের হওয়ার সময় দেখালাম বাবা গোসল করে বের হলো।রুপা আপুকে জিঙ্গেস করতেছে আমি কোথায়। আপু বললো ও তো বের হয়েছে।আমার কেমন জানি সন্দেহ হলো।আব্বু বললে দরজা লগায় দিতে বাসায়।
আমি আমার রুমে চুপ করে বসে রইলাম। একটু পর বাবা রুপা আপুকে ডাকলো,এবং শপিং ব্যাগটা দিয়ে বললো এগুলো তোর জন্য।দেখ পছন্দ হয়েছে নাকি।আর শুন তোর আন্টি কে ভূলে এগুলোর কথা বলবি না।রুপা বললো ঠিক আছে। রুপা আপুর খুশিতে চোখে পানি এসে গেল। আব্বু বললো কি এনেছি খোলে দেখ।পছন্দ হয়েছে নাকি।রুপা আপু সাথে সাথে আব্বুর বিচানায় কাপরগুলো বের করলো।
একটা একটা বপর করে দেখতে লাগলো।শাড়ি,থ্রীপি এর পর যখন ব্রা পেন্টি বের করলো তকন আপু লজ্জায় মাথা নিচু করে ফেললো।আমি লুকায় লুকায় পর্দার ফাক দিয়ে সব দেখতেছি।আপু বললো এগুলো আনার কি দরকার ছিল।আব্বু বললো নতুন কাপড় এর সাথে সব নতুন পড়তে হয়।আপু একটি মুচকি হাসি দিল।এর পর ভিটটা যখন বের করললো তখন আপু বললো এইটা কি।
বাবা তখন বললো যখন কেউ নতুন কাপড় পরে তখন সারা সরিল পরিষ্কার রাখা দরকার।তোর আন্টিকে দেখস না।রুপা আপু কে আব্বু বললো এইটা দিয়ে তোর যেখানে যেখানে লোম আছে সেগুলো পরিষ্কার রাখবি।আপু বললো ঠিক আছে। এর পর বাবা বললো তুই খুশি হয়েছিস।আপু বললো অনেক খুশি হয়েছে। বাবা বললো একটি কথা রাখবি রুপা।রুপা আপু বললো আপনি আমার জন্য এত কিছু করতেছেন,আপনার কথা অবশ্যই রাখবো।বাবা বললো তাহলে আজকে আনার সামনে লাল শাড়িটা পড়িস তো,আর ভালো করে সাজবি,দরকার হলে তোর আন্টির এখান থেকে মে কাপ,সেন্ট সব ইউজ করিস,এখন তো কেউ নাই। তোকে কেমন লাগে দেখি।আপু বললো ঠিক আছে।
এর পর আপু ওয়াশরুমে চলে গেল এবং গোসল করলো,ওয়াশরুম থেকে আব্বুকে চিল্লায় বললো আপনি আপনার রুম থেকে ড্রইংরুমে যান,আমি আপনার রুমে সাজবো,সাজা হলে আপনাকে ডাকবো।
আপু একটি তোয়ালা পড়ে বাবার রুমে চলে গেল ও দরজা বন্ধ করে দিল।২০ মিনিট পর আপু রুম থেকে বাবাকে ডাকলো।আমি আবার ও আস্তে করে রুমের সামনে গেলাম কেউ না দেখে মতে।ওমা দেখলাম বাবাও নতুন পান্জাবি পায়জামা পড়ে ফিটফাট।বাবা রুমে ডুকলো আমিও পর্দার আড়ালে এসে দাড়ালাম।বাবা রুমে ডুকে রুপা আপুকে দেখে হা করে থাকলো।বাবার কথা কি বলবো আমিও রুপা আপুকে দেখে চিনতে পারতেছিনা।
৩০ বছরের রুপা আপুকে ১৮ বছরের যুবতি লাগতেছেে।তার মধ্যে লাল শাড়ি,মা এর মেকাপ বক্স দিয়ে মেকাপ।ও দামি সেন্ট মেরে পুরা রোম সুগন্ধি করে ফেলেছে।আব্বু বলতেছে তোকে তো পুরা এলাকার সব মেয়ের থেকে সুন্দর লাগতেছে।এমন কি তোর আন্টি র চেয়েও বেশী সুন্দর লাগতেছে।আপু বাবাকে বললো ধন্যবাদ।
বিয়ের পর ওর স্বামী ও ওকে এইভাবে কখনো সুন্দর কাপড় ও সুন্দর করে সাজতে বলে নি।আপু খুশিতে বাবাকে সালাম করে ফেললো।বাবা আপু তোলে বলতেছে কি করছিস তুই।এই বলে আপুর কপালে একটি কিস করলো।আপু বললো আপনি আমার অনেক আশা পূরন করেছেন।আপনি যা চাইবেন সব আমি দিব।আপনি অনেক ভালো মানুষ।বাবা বললো যা চাইবো সব দিবি,তাহলে দুপুরের খাওয়ার পর আমার রুমে নতুন বউ যে ভাবে বসে সে ভাবে বসবি,আমি তোকেদেখবো।তোকে আজ অনেক সুন্দর লাগতেছে।
এর পর আপু বললো ঠিক আছে আপনি যা বলেন সেইটা হবে।
তারপর বাবা বললো তাহলে খাবার খেয়ে নি চল।আপু বাবার জন্য টেবিলে ভাত আনলো।বাবা বললো তুই কোথায় যাচ্চস তুইও আজ আমার সাথে খাবি।আপু লজ্জা পেল।বললো ভাইয়া চলে আসলে।আব্বু তখন বললো দারা তোর ভাইয়াকে কল দি। বাবা আমাকে কল দিল,আমার মোবাইল সেইলেন্ট করে দিলাম।এবং বাবাকে একটি এস এম এস দিলাম,আমি একটি মিটিং এ এসেছি,আমার আসতে রাত ৯ টা বাজবে।তোমারা খেয়ে নাও।আমি ফ্রী হয়ে কল দিব।বাবা, রুপা আপুকে বললো তোর ভাইয়া আসতে ৯ টা বজবে কোন সমস্যা নাই।এর পর আপু ও বাবা একসাথে বসে দুপুর এর খাবার খেল।বাবা খাবার খেয়ে ওয়াশ রুমে গেল।আপু ওর বাচ্চা কে দুধ খাওয়া ঘুম পাড়িয়ে দিল।
পরের পর্ব আসবে……..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *